যুক্তরাষ্ট্র মহিলা জাতীয় ফুটবল দল (ইউএসডব্লিউএনটি) বর্তমান ওলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্পেনের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে, যা বিশ্বর্যাঙ্কিং-এ শীর্ষে আছে এবং গত নারী বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন। ইউএস সকার অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর সোমবারের ম্যাচটি পেনসিলভেনিয়ার চেস্টারের সুবারু পার্কে সন্ধ্যা ৭টা (ইস্টার্ন টাইম) শুরু হবে।
ওয়াশিংটনে প্রথম ম্যাচের ফলাফল
১০ অক্টোবর শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসির আউডি ফিল্ডে ২-০ পরাজয়ের পর আমেরিকানরা রিবাউন্ড খুঁজছেন। স্পেন সুরুর ১৫ মিনিটের ভিতরে দুটি ক্লিনিক্যাল গোল করে বেড়ে যায়। কিন্তু পরিসংখ্যান আমেরিকানদের পক্ষে বলে — ইউএসএ ১৩-৬ শুটে এবং ১০-৩ শুট অন টার্গেটে স্পেনকে পেছনে ফেলেছিল। দ্বিতীয় হাফে স্পেনকে একটিও শুট করার সুযোগ দেননি হোম দল। কিন্তু স্পেনের গোলরক্ষক বিশ্বস্তরের সেভ করে জয়ের নিশ্চিততা দিলেন।
ট্রিপল এসপ্রেসোর পুনর্মিলন
ফরওয়ার্ড ত্রয়ী ট্রিনিটি রোডম্যান, সোফিয়া উইলসন এবং مالরি সুয়ানসন — যাদের স্ব-নামকরণ "ট্রিপল এসপ্রেসো" — ২০২৪ ওলিম্পিকসের পর প্রথমবার একসাথে মাঠে নামল। তিনজনে মিলে ওলিম্পিকসে ১০ গোল এবং ৫ অ্যাসিস্ট করেছিল। সুয়ানসন ৭১০ দিন পর ইন্টারন্যাশনাল মিনিট পেয়েছিলেন, তার শেষ উপস্থিতি ৩০ অক্টোবর ২০২৪-এ পোস্ট-ওলিম্পিক ট্যুরে ছিল। ৬৬তম মিনিটে রোজ ল্যাভেল্লের স্থানে মাঠে এসে তিনি ৭৯১ দিন পর স্বর্ণপদক জয় után কোনো ম্যাচে খেললেন।
এম্মা হেইজের ডেবিউট রেকর্ড
মुख্য কোচ এম্মা হেইজ জুন ২০২৪-এ দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ৩২ ম্যাচে ৩২ খেলোয়াড়কে ইন্টারন্যাশনাল ডেবিউট দিয়েছেন। গত আট ম্যাচে কোনো ডেবিউট হয়নি, কিন্তু স্পেনের বিপক্ষে এই دو ম্যাচের রোস্টারে পাঁচ অনক্যাপড খেলোয়াড় আছে। হেইজ এখন পর্যন্ত মোট ৪১ ম্যাচে কোচিং করেছেন। তাদের আগে জিল এলিস ১৩২ ম্যাচে ৩০ এবং ব্লাটকো আন্দোনোভস্কি ৬৫ ম্যাচে ১৮ খেলোয়াড়কে ডেবিউট দিয়েছিলেন। হেইজের অধীনে ডেবিউট দেওয়া ম্যাচগুলোতে ইউএসএ ১৯ জিত, ১ ড্র, ০ হারের রেকর্ড রাখে।
প্রচার এবং গুরুত্ব
দ্বিতীয় ম্যাচটিও হাউজফুল হবে। টিভিতে টিএনটি এবং এইচবিও ম্যাক্সে ইংরেজিতে, ইউনিভার্সো এবং পিকক স্পেনিশে দেখানো হবে। রেডিওতে ওয়েস্টউড ওয়ান স্পোর্টস স্পেনিশে ফুটবল ডে প্রিমেরার মাধ্যমে প্রচার করবে। বিশ্বের শীর্ষ দুটি দলের এই দ্বন্দ্ব ২০২৪ ওলিম্পিকস এবং ২০২৩ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নের মধ্যে সরাসরি টक्कর, যা আগামী বড় টুর্নামেন্টের জন্য কৌশলগত পরীক্ষা। বাংলাদেশি এবং দক্ষিণ এশিয়ান ডায়াসপোরা পাঠকদের জন্যও এই ম্যাচ বিশেষ আগ্রহের, কারণ নারী ফুটবলের বিশ্বস্তরীয় প্রতিযোগিতা বাংলাদেশেও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।