আর্কাইভ ভিডিও ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ
● ফ্লরিডা স্টেট বনাম লুইসভিল: মন্ডে নাইট এসিসি ফুটবলে উভয় দলের বাউল আশা জिंदा রাখার লড়াই ● বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস’ ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ উদযাপন এবং সাইন্টিফিক আলোচনা অনুষ্ঠিত ● পূর্ব 'আমেরিকান আইডল' প্রতিযোগী কেলেব ফ্লিন স্ত্রীর হত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি ● জেমস র্যানসোনকে এমmys 'ইন মেমোরিয়াম'-এ বাদ দিয়েছে, স্ত্রীর আক্ষেপ ● ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুরক্ষা ভয়কে 'হোক্স' বলে আখ্যায়িত করলেন, নিয়ন্ত্রণ দাবি প্রত্যাখ্যান ● উইনি হার্লোর সাবেক লস অ্যাঞ্জেলেস বাড়ি ৪.৫ মিলিয়ন ডলারে পুনরায় বাজারে ● ইউরোপীয় কমিশনের প্রস্তাবে কানাডা হতে পারে ইইউর প্রথম 'অ্যাসোসিয়েট সদস্য' ● ভারতের শীর্ষ-ভিত্তিক অর্থনৈতিক বাড়তি এবং বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা ● ফ্লরিডা স্টেট বনাম লুইসভিল: মন্ডে নাইট এসিসি ফুটবলে উভয় দলের বাউল আশা জिंदा রাখার লড়াই ● বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস’ ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ উদযাপন এবং সাইন্টিফিক আলোচনা অনুষ্ঠিত ● পূর্ব 'আমেরিকান আইডল' প্রতিযোগী কেলেব ফ্লিন স্ত্রীর হত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি ● জেমস র্যানসোনকে এমmys 'ইন মেমোরিয়াম'-এ বাদ দিয়েছে, স্ত্রীর আক্ষেপ ● ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুরক্ষা ভয়কে 'হোক্স' বলে আখ্যায়িত করলেন, নিয়ন্ত্রণ দাবি প্রত্যাখ্যান ● উইনি হার্লোর সাবেক লস অ্যাঞ্জেলেস বাড়ি ৪.৫ মিলিয়ন ডলারে পুনরায় বাজারে ● ইউরোপীয় কমিশনের প্রস্তাবে কানাডা হতে পারে ইইউর প্রথম 'অ্যাসোসিয়েট সদস্য' ● ভারতের শীর্ষ-ভিত্তিক অর্থনৈতিক বাড়তি এবং বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা
যুক্তরাষ্ট্র

চীন সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত

চীন সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত
চীন সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump চলতি সপ্তাহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে চীন পৌঁছেছেন। বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৭ সালের পর এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় সরকারি চীন সফর এবং প্রায় নয় বছর পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের চীন সফর।

বৈশ্বিক রাজনীতির এক সংকটময় সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চলমান বাণিজ্য বিরোধ, প্রযুক্তি খাতে নিষেধাজ্ঞা, তাইওয়ান ইস্যু, ইরান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কার মধ্যে এই বৈঠককে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। চীনা কর্মকর্তারা বলেছেন, এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে “গভীর আলোচনা”-র সুযোগ তৈরি করবে।

বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। মার্কিন ও চীনা পতাকা হাতে স্কুলশিক্ষার্থী, সামরিক গার্ড অব অনার এবং জাঁকজমকপূর্ণ রাষ্ট্রীয় আয়োজনের মাধ্যমে সফরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

ট্রাম্পের সঙ্গে সফরে যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বড় বড় প্রযুক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন Elon Musk, Jensen Huang এবং Tim Cook। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে সফরের মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ওপর।

চীন সফরের আগে ট্রাম্প বলেন, তিনি চীনের বাজার আরও উন্মুক্ত করার এবং মার্কিন পণ্য আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেবেন। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, সফরের সময় চীন বোয়িং উড়োজাহাজসহ যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ও জ্বালানি পণ্যের বড় ধরনের ক্রয়চুক্তি ঘোষণা করতে পারে।

বৈঠকে ট্রাম্প ও শি জিনপিং উভয়েই মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। শি জিনপিং তাইওয়ান ইস্যুকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, দুই দেশকে “প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার” হিসেবে কাজ করা উচিত। অন্যদিকে ট্রাম্প শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই শীর্ষ বৈঠক ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক কূটনীতি ও বাণিজ্যনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে শুল্ক আরোপ, সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছিল। তবে বর্তমান আলোচনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, উভয় সরকারই উত্তেজনা আরও বাড়তে না দিয়ে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে আগ্রহী।

চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সফরটিকে একটি বড় কূটনৈতিক ঘটনা হিসেবে তুলে ধরেছে। যদিও সাধারণ চীনা নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। কেউ কেউ ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে নতুন করে সংলাপ শুরু হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে দীর্ঘমেয়াদে বাস্তব পরিবর্তন আসবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

আগামী ১৫ মে পর্যন্ত দুই নেতার মধ্যে বৈঠক চলবে বলে জানা গেছে। আলোচনায় বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), প্রযুক্তি রপ্তানি, বিনিয়োগ, জলবায়ু সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু গুরুত্ব পাবে। এখন বিশ্বজুড়ে নজর রয়েছে—এই সফর বাস্তব কোনো সমঝোতা এনে দেয়, নাকি এটি কেবল দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা কমানোর প্রতীকী প্রচেষ্টা হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকে।

সম্পর্কিত সংবাদ



ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।