ব্রেকিং নিউজ
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনায় ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল নাটকীয় টাইব্রেকারে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করা দল ব্রাজিল নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয়, বিশ্বকাপ শিরোপার পথে আরও একধাপ এগোল সেলেসাও ব্রঙ্কসের বাস থেকে পিছু নিয়ে ভ্যান কর্টল্যান্ড পার্কে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ; অভিযুক্তের খোঁজে নিউ ইয়র্ক পুলিশের চিরুনি তল্লাশি শাহজালালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজে ইঞ্জিন সতর্ক সংকেত, জরুরি ভিত্তিতে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মীর মৃত্যু: মরদেহ ফেরত, ক্ষতিপূরণ ও পরিবার পুনর্বাসনে আরও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি ভয়াবহ যমজ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা, নিহত শতাধিক, নিখোঁজ হাজারো মানুষ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনায় ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল নাটকীয় টাইব্রেকারে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করা দল ব্রাজিল নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয়, বিশ্বকাপ শিরোপার পথে আরও একধাপ এগোল সেলেসাও ব্রঙ্কসের বাস থেকে পিছু নিয়ে ভ্যান কর্টল্যান্ড পার্কে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ; অভিযুক্তের খোঁজে নিউ ইয়র্ক পুলিশের চিরুনি তল্লাশি শাহজালালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজে ইঞ্জিন সতর্ক সংকেত, জরুরি ভিত্তিতে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মীর মৃত্যু: মরদেহ ফেরত, ক্ষতিপূরণ ও পরিবার পুনর্বাসনে আরও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি ভয়াবহ যমজ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা, নিহত শতাধিক, নিখোঁজ হাজারো মানুষ
ইমিগ্রেশন

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব

6 1 min read fb x
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব
Photo Credit: AP News

ওয়াশিংটন ডিসি, ২৯ জুন ২০২৬ — যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট অভিবাসন নীতির ওপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে, যা দেশটিতে বসবাসরত লাখো অভিবাসী, শরণার্থী আবেদনকারী এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে।

৬–৩ ভোটের একাধিক রায়ে আদালত ফেডারেল সরকারের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করেছে। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগুলোর আইনি অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায়ের একটিতে আদালত সরকারকে টেম্পোরারি প্রোটেকটেড স্ট্যাটাস (TPS) বাতিল করার অনুমতি দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাইতি, সিরিয়া, এল সালভাদর ও সোমালিয়ার নাগরিকদের জন্য থাকা সুরক্ষা ব্যবস্থা ধাপে ধাপে শেষ করা যাবে।

TPS মূলত যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মানবিক সংকটে থাকা দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িকভাবে বসবাস ও কাজের অনুমতি দেয়। নতুন রায়ের কারণে প্রায় ১৩ লাখের বেশি অভিবাসী সরাসরি প্রভাবিত হতে পারেন।

সমালোচকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিনের বসবাসকারী অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করবে এবং অনেককে চাকরি ও বাসস্থান হারানোর ঝুঁকিতে ফেলবে।

আরেকটি রায়ে আদালত যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে “মিটারিং” নীতিকে বৈধতা দিয়েছে। এই নীতির মাধ্যমে সীমান্ত কর্মকর্তারা প্রতিদিন কতজন আশ্রয় আবেদন গ্রহণ করা হবে তা সীমিত করতে পারবেন।

এর ফলে অনেক আশ্রয়প্রার্থীকে সীমান্তে প্রবেশের আগেই অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে বা ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এটি আন্তর্জাতিক আশ্রয় আইনের মূল নীতির পরিপন্থী।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ রায়ে আদালত সরকারকে আরও ক্ষমতা দিয়েছে যাতে গ্রিন কার্ডধারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মামলা থাকলে তাদের অস্থায়ীভাবে আটক বা অভিবাসন সুবিধা স্থগিত করা যায়—চূড়ান্ত দণ্ড ছাড়াই।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায়ের ফলে স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য আইনি নিরাপত্তা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

এই তিনটি রায় মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাহী ক্ষমতার ওপর আদালতের সমর্থন আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট হয়েছে।

সমর্থকরা বলছেন, এতে সীমান্ত নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে এবং প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে। তবে বিরোধীরা এটিকে অভিবাসীদের অধিকার সংকোচনের দিকে বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এই রায়গুলো যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা ও টেক্সাসের মতো রাজ্যগুলোতে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইনি সহায়তা সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ বহু মানুষ তাদের অভিবাসন অবস্থান সম্পর্কে নতুন করে পরামর্শ নিতে শুরু করবেন।

আগামী কয়েক সপ্তাহে ফেডারেল সংস্থাগুলো নতুন নীতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু করবে। যদিও নিম্ন আদালতে কিছু চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়গুলো ভবিষ্যৎ আইনি লড়াইকে অনেকটাই সীমিত করে দেবে।

মোটের ওপর, এই সিদ্ধান্তগুলো যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতির একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে—যেখানে মানবিক সুরক্ষা ও সরকারের ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Advertisement

Advertisement


ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।