ব্রেকিং নিউজ
জানুয়ারি থেকেই ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট? তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা নিউইয়র্কের শিল্পাঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন শিল্পী আলমা লিয়া মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল: আফরোজা খানম রিতার হাতে এবার খাদ্য মন্ত্রণালয়—মানিকগঞ্জের জন্য নতুন গর্ব, দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সংসদে ভোটগ্রহণ চলছে ব্রায়ান দে লা ক্রুজের খেলার সময় কমে গেল, ট্রেড ডেডলাইনের পর ফিলিজের রিজার্ভ বেঞ্চে জোসে আলতুভে ইনজুরি ফিরে দুই চুরি ও দুই হিটে ম্যাচ জেতান অ্যাস্ট্রোসকে ট্রাম্প আবার ভাঙচুরের অভিযোগ, দ্য হোয়াইট হাউস সাউথ লনের মতো জায়গার ঘাস ক্ষতিগ্রস্ত ব্রুস স্প্রিংস্টিনের জীবনীকার ও সঙ্গীত সমালোচক ডেভ মার্শ ৭৬ বছর বয়ে মৃত্যুবরণ জানুয়ারি থেকেই ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট? তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা নিউইয়র্কের শিল্পাঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন শিল্পী আলমা লিয়া মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল: আফরোজা খানম রিতার হাতে এবার খাদ্য মন্ত্রণালয়—মানিকগঞ্জের জন্য নতুন গর্ব, দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সংসদে ভোটগ্রহণ চলছে ব্রায়ান দে লা ক্রুজের খেলার সময় কমে গেল, ট্রেড ডেডলাইনের পর ফিলিজের রিজার্ভ বেঞ্চে জোসে আলতুভে ইনজুরি ফিরে দুই চুরি ও দুই হিটে ম্যাচ জেতান অ্যাস্ট্রোসকে ট্রাম্প আবার ভাঙচুরের অভিযোগ, দ্য হোয়াইট হাউস সাউথ লনের মতো জায়গার ঘাস ক্ষতিগ্রস্ত ব্রুস স্প্রিংস্টিনের জীবনীকার ও সঙ্গীত সমালোচক ডেভ মার্শ ৭৬ বছর বয়ে মৃত্যুবরণ
ইমিগ্রেশন

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব

51 1 min read fb x
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব
Photo Credit: AP News

ওয়াশিংটন ডিসি, ২৯ জুন ২০২৬ — যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট অভিবাসন নীতির ওপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে, যা দেশটিতে বসবাসরত লাখো অভিবাসী, শরণার্থী আবেদনকারী এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে।

৬–৩ ভোটের একাধিক রায়ে আদালত ফেডারেল সরকারের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করেছে। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগুলোর আইনি অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায়ের একটিতে আদালত সরকারকে টেম্পোরারি প্রোটেকটেড স্ট্যাটাস (TPS) বাতিল করার অনুমতি দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাইতি, সিরিয়া, এল সালভাদর ও সোমালিয়ার নাগরিকদের জন্য থাকা সুরক্ষা ব্যবস্থা ধাপে ধাপে শেষ করা যাবে।

TPS মূলত যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মানবিক সংকটে থাকা দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িকভাবে বসবাস ও কাজের অনুমতি দেয়। নতুন রায়ের কারণে প্রায় ১৩ লাখের বেশি অভিবাসী সরাসরি প্রভাবিত হতে পারেন।

সমালোচকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিনের বসবাসকারী অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করবে এবং অনেককে চাকরি ও বাসস্থান হারানোর ঝুঁকিতে ফেলবে।

আরেকটি রায়ে আদালত যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে “মিটারিং” নীতিকে বৈধতা দিয়েছে। এই নীতির মাধ্যমে সীমান্ত কর্মকর্তারা প্রতিদিন কতজন আশ্রয় আবেদন গ্রহণ করা হবে তা সীমিত করতে পারবেন।

এর ফলে অনেক আশ্রয়প্রার্থীকে সীমান্তে প্রবেশের আগেই অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে বা ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এটি আন্তর্জাতিক আশ্রয় আইনের মূল নীতির পরিপন্থী।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ রায়ে আদালত সরকারকে আরও ক্ষমতা দিয়েছে যাতে গ্রিন কার্ডধারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মামলা থাকলে তাদের অস্থায়ীভাবে আটক বা অভিবাসন সুবিধা স্থগিত করা যায়—চূড়ান্ত দণ্ড ছাড়াই।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায়ের ফলে স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য আইনি নিরাপত্তা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

এই তিনটি রায় মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাহী ক্ষমতার ওপর আদালতের সমর্থন আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট হয়েছে।

সমর্থকরা বলছেন, এতে সীমান্ত নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে এবং প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে। তবে বিরোধীরা এটিকে অভিবাসীদের অধিকার সংকোচনের দিকে বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এই রায়গুলো যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা ও টেক্সাসের মতো রাজ্যগুলোতে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইনি সহায়তা সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ বহু মানুষ তাদের অভিবাসন অবস্থান সম্পর্কে নতুন করে পরামর্শ নিতে শুরু করবেন।

আগামী কয়েক সপ্তাহে ফেডারেল সংস্থাগুলো নতুন নীতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু করবে। যদিও নিম্ন আদালতে কিছু চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়গুলো ভবিষ্যৎ আইনি লড়াইকে অনেকটাই সীমিত করে দেবে।

মোটের ওপর, এই সিদ্ধান্তগুলো যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতির একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে—যেখানে মানবিক সুরক্ষা ও সরকারের ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Advertisement

Advertisement


ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।