ব্রেকিং নিউজ
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা- যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রচেষ্টা খারিজ, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর ব্যাখ্যা পুনর্ব্যক্ত প্রচারণা ব্যয়ের সীমা বাতিল: বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতা বাড়ালো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অ্যাটলাস লায়ন্সের গর্জন: টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে নেদারল্যান্ডসকে স্তব্ধ করে শেষ ১৬-তে মরক্কো যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনায় ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল নাটকীয় টাইব্রেকারে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করা দল ব্রাজিল নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয়, বিশ্বকাপ শিরোপার পথে আরও একধাপ এগোল সেলেসাও ব্রঙ্কসের বাস থেকে পিছু নিয়ে ভ্যান কর্টল্যান্ড পার্কে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ; অভিযুক্তের খোঁজে নিউ ইয়র্ক পুলিশের চিরুনি তল্লাশি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা- যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রচেষ্টা খারিজ, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর ব্যাখ্যা পুনর্ব্যক্ত প্রচারণা ব্যয়ের সীমা বাতিল: বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতা বাড়ালো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অ্যাটলাস লায়ন্সের গর্জন: টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে নেদারল্যান্ডসকে স্তব্ধ করে শেষ ১৬-তে মরক্কো যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনায় ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল নাটকীয় টাইব্রেকারে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়: অভিবাসী ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওপর বড় প্রভাব জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করা দল ব্রাজিল নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয়, বিশ্বকাপ শিরোপার পথে আরও একধাপ এগোল সেলেসাও ব্রঙ্কসের বাস থেকে পিছু নিয়ে ভ্যান কর্টল্যান্ড পার্কে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ; অভিযুক্তের খোঁজে নিউ ইয়র্ক পুলিশের চিরুনি তল্লাশি
যুক্তরাষ্ট্র

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা- যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রচেষ্টা খারিজ, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর ব্যাখ্যা পুনর্ব্যক্ত

0 1 min read fb x
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা- যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রচেষ্টা খারিজ, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর ব্যাখ্যা পুনর্ব্যক্ত
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা- যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রচেষ্টা খারিজ, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর ব্যাখ্যা পুনর্ব্যক্ত

ওয়াশিংটন ডিসি, ৩০ জুন ২০২৬: যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার এক ঐতিহাসিক রায়ে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সাংবিধানিক নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে, যার মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া নির্দিষ্ট কিছু শিশুর স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব বাতিল করতে চেয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা এবং দেড় শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব আইনের ভিত্তি হিসেবে থাকা একটি সাংবিধানিক নীতিকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে।

আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের অভিবাসন অবস্থান যাই হোক না কেন, মার্কিন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে থাকবে। তবে বিদেশি কূটনীতিকদের সন্তানদের মতো সীমিত কিছু ব্যতিক্রম আগের মতোই বহাল থাকবে।

মামলার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের একটি নির্বাহী আদেশ, যার মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসী এবং নির্দিষ্ট অস্থায়ী ভিসাধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া সন্তানদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

ট্রাম্প প্রশাসির যুক্তি ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর নাগরিকত্ব ধারা শুধুমাত্র তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনগত এখতিয়ারের অধীন। তাদের দাবি ছিল, অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানরা এই সাংবিধানিক শর্ত পূরণ করে না।

তবে সুপ্রিম কোর্ট এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক ব্যাখ্যাকে বহাল রাখে। আদালত উল্লেখ করে যে, ১৪তম সংশোধনী স্পষ্টভাবে বলছে— “যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা নাগরিকত্ব গ্রহণকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের অধীন সকল ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।”

রায় প্রদানের সময় বিচারপতিরা ১৮৯৮ সালের ঐতিহাসিক মামলার নজিরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছিল যে বিদেশি বাবা-মায়ের ঘরে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুরা সাধারণত জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকারী।

অভিবাসন অধিকারকর্মী ও সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞরা এই রায়কে সংবিধান ও আইনের শাসনের জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করা হলে প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া লাখ লাখ শিশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ত এবং অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রহীনতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারত।

বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রস্তাব কার্যকর হলে প্রতিবছর প্রায় আড়াই লাখ নবজাতক এই নীতির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত।

অন্যদিকে ট্রাম্পের সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করে এবং তথাকথিত “বার্থ ট্যুরিজম” বা সন্তানের নাগরিকত্ব লাভের উদ্দেশ্যে বিদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে।

তাদের মতে, আধুনিক অভিবাসন বাস্তবতার আলোকে কংগ্রেস বা আদালতের উচিত ১৪তম সংশোধনীর ব্যাখ্যা পুনর্বিবেচনা করা।

এই রায় এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুপ্রিম কোর্ট অভিবাসন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি বিষয়ে ট্রাম্পের পক্ষে অবস্থান নিলেও জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের প্রশ্নে আদালত একটি স্পষ্ট সাংবিধানিক সীমারেখা টেনে দিয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে শুধুমাত্র নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের পথ কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। এ ধরনের মৌলিক পরিবর্তন আনতে হলে হয় সংবিধান সংশোধন করতে হবে, অথবা সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘদিনের নজিরে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এই রায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন, সাংবিধানিক ব্যাখ্যা এবং লাখ লাখ অভিবাসী পরিবারের অধিকার ও ভবিষ্যতের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে এটি ১৮৬৮ সালে ১৪তম সংশোধনী গৃহীত হওয়ার পর থেকে মার্কিন নাগরিকত্বের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত একটি নীতিকে আবারও দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করল।

সম্পর্কিত সংবাদ

Advertisement

Advertisement


ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।