নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ২৬ এপ্রিল ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে আইপিটিভি (ইন্টারনেট প্রোটোকল টেলিভিশন) বাংলাদেশের গণমাধ্যম জগতের পরিধিকে অনেক বিস্তৃত করেছে। তবে এই মাধ্যমের সুশৃঙ্খল বিকাশ নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখা অপরিহার্য।
আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এসোসিয়েশন অব আইপিটিভি ওনার্স বাংলাদেশ (এআইওবি)-এর সদস্যদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “বর্তমান সরকার মুক্ত গণমাধ্যম এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। আইপিটিভিগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। তবে এই সুযোগ ব্যবহার করে কোনোভাবেই অপতথ্য বা বিভ্রান্তি ছড়ানো যাবে না। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের এই সময়ে আইপিটিভিগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। এই শিল্পের টেকসই ও সুশৃঙ্খল বিকাশের জন্য এসোসিয়েশনের সদস্যদের সরকারের সাথে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে কাজ করার আহ্বান জানাই।”
সভায় এসোসিয়েশন অব আইপিটিভি ওনার্স বাংলাদেশ-এর নেতৃবৃন্দ এই খাতের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে সরকারি নীতিমালার আলোকে আইপিটিভিগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা এই উদীয়মান শিল্পের উন্নয়নে সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সভায় তথ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন আইপিটিভির মালিক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।