আগামী ২০২৬-২৭ এনবিএ সিজনের আগে খেলোয়াড়দের র্যাঙ্কিংয়ে নতুন একটি তালিকা যোগ হয়েছে। ব্লিচার রিপোর্ট সম্প্রতি লিগের সেরা ৯৯ জন খেলোয়াড়ের তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে গোল্ডেন স্টেট ওয়ারিয়র্সের সুপারস্টার স্টিফেন কারি দলের সর্বোচ্চ র্যাঙ্কপ্রাপ্ত খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। Yahoos Sports-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই তালিকায় ওয়ারিয়র্স থেকে মাত্র দুজন খেলোয়াড় স্থান পেয়েছেন, যা ESPN এবং HoopsHype-এর আগের তালিকাগুলোর থেকে আলাদা — সেখানে তিনজন ওয়ারিয়র্স খেলোয়াড় ছিলেন।
কারি ওয়ারিয়র্সের শীর্ষে, গ্রিন দ্বিতীয়
তালিকায় ওয়ারিয়র্সের প্রথম প্রতিনিধি হলেন ড্রেমন্ড গ্রিন, যারা ৩৬ বছর বয়সে সিজনে প্রবেশ করছেন। চারবার চ্যাম্পিয়ন এবং সাবেক ডিফেনসিভ প্লেয়ার অফ দ ইয়ার জেতা গ্রিন এখনও রক্ষণার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। গত সিজনে তিনি ৬৮ ম্যাচে গড় ৮.৪ পয়েন্ট, ৫.৫ রিবাউন্ড, ৫.৫ অ্যাসিস্ট, ০.৯ স্টিল এবং ০.৬ ব্লক করেছেন।
অন্যদিকে, স্টিফেন কারি তালিকায় ওয়ারিয়র্সের সবচেয়ে উচ্চতম অবস্থানে র্যাঙ্ক করা হয়েছে। গত ২০২৫-২৬ সিজনে ঘুটনার আঘাতের কারণে তিনি প্রায় অর্ধেক ম্যাচ মিস করেছিলেন, কিন্তু Yahoos Sports জানায়, ১৮তম এনবিএ সিজনের আগে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। গত বছর কারি গড় ২৬.৬ পয়েন্ট, ৪.৭ অ্যাসিস্ট, ৩.৬ রিবাউন্ড, ১.১ স্টিল এবং ০.৪ ব্লক করেছেন।
পূর্বের তালিকাগুলোর সাথে পার্থক্য
ব্লিচার রিপোর্টের এই তালিকা ESPN এবং HoopsHype-এর র্যাঙ্কিং থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে আলাদা। সেখানে ওয়ারিয়র্স থেকে তিনজন খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু এখানে মাত্র দুজন। সবচেয়ে বড় বাদ পড়েছে জিমি বাটলার তৃতীয় এবং ক্রিস্টাপস পোর্জিঙগিসের — যারা পূর্বের তালিকাগুলোতে ছিল। এতে ওয়ারিয়র্সের রোস্টার গভীরতা এবং সিতারা শক্তির ধারণা সম্পর্কে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
কারির স্বাস্থ্য এবং ১৮তম সিজনের প্রত্যাশা
স্টিফেন কারির জন্য গত সিজন ছিল চ্যালেঞ্জিং। ঘুটনার সমস্যা তাকে дълগामी সময় ধরে বেঞ্চে বসিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু অফসিজনে তার ফিটনেসে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ১৮ বছরের ক্যারিয়ার এই পর্যায়ে, কারি এখনও লিগের সেরা শূটার এবং অফেনসিভ হাব হিসেবে বিবেচিত হন। তার ফর্ম ওয়ারিয়র্সের প্লेअফ দাবেদারিত্বের চাবিকাঠি।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এই র্যাঙ্কিং শুধু একটি মিডিয়া আউটলেটের মতামত নয় — এটি লিগের শক্তি ভারসাম্য এবং দলগত কৌশলের প্রতিবিম্ব। ওয়ারিয়র্সের শুধু দুজন খেলোয়াড়ের টপ-৯৯-এ থাকা দলের গভীরতার প্রশ্ন উত্থাপন করে। বাংলাদেশি এবং দক্ষিণ এশীয় বাসিন্দা প্রশंसকরা যারা কারিকে আদর্শ হিসেবে দেখেন, তাদের জন্য তার স্বাস্থ্য এবং ফর্ম খুব বড় বিষয়। এছাড়া, গ্রিনের মতো 베টারেনের অবদান এখনও অপরিহার্য, যা টিমের রক্ষণামূলক পরিচয় বজায় রাখে। আগামী সিজনে এই র্যাঙ্কিং কতটুকু বাস্তব হয়, তা দেখতে হবে।