২০২৬ এমএলএস সিজনের ২৯তম ম্যাচডে ইন্টার মিয়ামি নিজের ঘরে ডি.সি. ইউনাইটেডের מול খেলবে। উভয় দলই সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে গোল করার ক্ষেত্রে অস্থিরতা দেখিয়েছে। বিশ্ব সকার টকের রিপোর্ট অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসর ঘোষণা করার পর লিওনেল মেসি এই ম্যাচে ইন্টার মিয়ামির জন্য স্টার্টার হিসেবে মাঠে নামতে পারেন।
দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্ম
ইন্টার মিয়ামি গত ২৭ সেপ্টেম্বর কলাম্বাসের מול ১-২ গোলে পরাজিত হয়েছিল। এর আগে সেপ্টেমবরের শুরুতে সান ডিয়াগো এফসি এবং ন্যাশভিলের מול ব্যাপার ২-২ গোলে ড্র করা হয়েছিল। অন্যদিকে, ডি.সি. ইউনাইটেড গত রবিবার হোয়াইটক্যাপসের מול ৩-৩ গোলে ড্র করল। তার আগে ১৯ সেপ্টেম্বর শার্লট এফসির מול ১-২ গোলে হার মেনে নিতে হয়েছিল এবং ১২ সেপ্টেম্বর অ্যাটলান্টা ইউনাইটেডের מול ০-০ গোলে ড্র করেছিল।
ইন্টার মিয়ামির প্রজেক্টেড লাইনআপ
কোচ কিলি গনজালেজ ৪-৩-৩ ফরমেশনে মাঠে নেমেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। মিডফিল্ডে কাসেমিরো, রোড্রিগো ডি পল এবং ড্যানিয়েল পিন্টার থাকবেন। লেফটব্যাক সার্জিও রেগিলন প্রস্থ দেবেন। আক্রমণশ্রেণিতে লুইস সুয়ারেজ এবং লিওনেল মেসি থাকবেন। কোনো খেলোয়াড় অনুপস্থিত নেই বলে কোচ নিজের পূর্ণ শক্তির সাথে মাঠে নেমছেন।
প্রজেক্টেড স্টার্টিং 일레븐 (৪-৩-৩): রোকো রিওস নোভো, সার্জিও রেগিলন, মিকায়েল, গোন্সালো লুজান, ফাসুন্দো মুরা, ডেভিড আয়ালা, কাসেমিরো, রোড্রিগো ডি পল, ড্যানিয়েল পিন্টার, লুইস সুয়ারেজ, লিওনেল মেসি। কোচ: কিলি গনজালেজ।
ডি.সি. ইউনাইটেডের প্রজেক্টেড লাইনআপ
কোচ রেনে ভাইলার ৪-৪-২ ফরমেশনে খেলাতে পারেন। গোলরক্ষক শন জনসন। ব্যাক লাইনে কেইসুকে কুরোকাওয়া, কায়ে রোলস, লুকাস বার্টলেট এবং সিলভান হেফতি থাকবেন। মিডফিল্ডে আন্দ্রে ডজেল, জ্যাকসন হপকিনস, কিমিতো নোনো এবং হোসেই কিজিমা থাকবেন। আক্রমণে পেগলো এবং নייתন অর্দাজের জুটি থাকবে। ডি.সি. ইউনাইটেডের জন্যও কোনো অনুপস্থিতি নেই।
প্রজেক্টেড স্টার্টিং 일레븐 (৪-৪-২): শন জনসন, কেইসুকে কুরোকাওয়া, কায়ে রোলস, লুকাস বার্টলেট, সিলভান হেফতি, হোসেই কিজিমা, আন্দ্রে ডজেল, জ্যাকসন হপকিনস, কিমিতো নোনো, পেগলো, নייתন অর্দাজ। কোচ: রেনে ভাইলার।
ম্যাচের গুরুত্ব এবং প্রেক্ষাপট
এই ম্যাচটি উভয় দলের জন্য প্লে-অফের দাবি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টার মিয়ামি মেসি এবং সুয়ারেজের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করবে, অন্যদিকে ডি.সি. ইউনাইটেড মিডফিল্ডে নিয়ন্ত্রণ পেতে চাইবে। মেসির জাতীয় দল থেকে অবসরের পর ক্লাব ফুটবলে ফেরা এই সিজনের একটি বড় ঘটনা। বাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশিয়ান দর্শকরা মেসিকে খেলতে দেখার জন্য এই ম্যাচে বিশেষ আগ্রহী।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এমএলএস সিজনের দ্বিতীয়ার্ধে এই ম্যাচটি পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। ইন্টার মিয়ামি ঘরোয়া মাঠে জয় পেতে পারলে প্লে-অফের সুযোগ বাড়বে। ডি.সি. ইউনাইটেড বাইরের মাঠে পয়েন্ট নিতে পারলে তাদের মোরাল বাড়বে। মেসির উপস্থিতি দর্শক সংখ্যা এবং টিভি রেটিং ও বাড়াতে পারে।