আর্কাইভ ভিডিও ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ
● যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপির শতাংশ হিসেবে ১০০ ছাড়াল, ১৯৪৬ সালের পর প্রথম ● ‘স্টার ট্রেক’ ও ‘এক্স-মেন’ খ্যাত প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট মারা গেছেন, বয়স হয়েছিল ৮৬ ● মাকে ‘বাসায় আসছি’ বার্তার পর তুরাগে মিলল তাহসিফ সৌরীর লাশ, মোটরসাইকেল নিখোঁজ ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট স্কোর: ৫৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭২-এ অলআউট বাংলাদেশ ● চট্টগ্রাম বন্দরে তামাক আটক: কেজিতে ঘোষিত দাম ১ দশমিক ৪৫, শুল্কায়ন ৫ দশমিক ১০ ডলার ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: ৯৯ রানে অপরাজিত সাদমান, প্রথম দিনে ২১৩/৩ ● মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬: জাতীয় জরিপে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, সিনেটে কঠিন লড়াই ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: মিরপুরে দুই ম্যাচই জেতার লক্ষ্য রোস্টন চেজের ● যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপির শতাংশ হিসেবে ১০০ ছাড়াল, ১৯৪৬ সালের পর প্রথম ● ‘স্টার ট্রেক’ ও ‘এক্স-মেন’ খ্যাত প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট মারা গেছেন, বয়স হয়েছিল ৮৬ ● মাকে ‘বাসায় আসছি’ বার্তার পর তুরাগে মিলল তাহসিফ সৌরীর লাশ, মোটরসাইকেল নিখোঁজ ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট স্কোর: ৫৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭২-এ অলআউট বাংলাদেশ ● চট্টগ্রাম বন্দরে তামাক আটক: কেজিতে ঘোষিত দাম ১ দশমিক ৪৫, শুল্কায়ন ৫ দশমিক ১০ ডলার ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: ৯৯ রানে অপরাজিত সাদমান, প্রথম দিনে ২১৩/৩ ● মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬: জাতীয় জরিপে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, সিনেটে কঠিন লড়াই ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: মিরপুরে দুই ম্যাচই জেতার লক্ষ্য রোস্টন চেজের
অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপির শতাংশ হিসেবে ১০০ ছাড়াল, ১৯৪৬ সালের পর প্রথম

4 • 1 min read fb x
মার্কিন ঋণ ও জিডিপির অনুপাত ১০০ শতাংশ ছোঁয়ার চিত্র, পটভূমিতে ক্যাপিটল ভবন ও ডলারের নোট

যুক্তরাষ্ট্রে জনসাধারণের হাতে থাকা সরকারি ঋণ ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। ১৯৪৬ সালের পর এই প্রথম অনুপাতটি তিন অঙ্কে উঠল।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বৃহস্পতিবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে। জার্নালের বরাত দিয়ে মার্কিন ওয়েবসাইট টোয়েন্টিফোর সেভেন ওয়াল স্ট্রিট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপির শতাংশ হিসেবে দাঁড়িয়েছে ১০০.০৩। ১৯৪৬ সালে প্রেসিডেন্ট ছিলেন হ্যারি ট্রুম্যান। ফলে ট্রুম্যানের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই প্রথম, যাঁর সময়ে অর্থবছরভিত্তিক অনুপাত এত উঁচুতে উঠল। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তুলনা শুধু সময়টি চিহ্নিত করে, কাউকে দায়ী করে না।

সংখ্যাটি এখন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঋণের এই বোঝা সুদের হারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। আর সেই সুদের হার থেকেই নির্ধারিত হয় মার্কিন পরিবারগুলোর বাড়ি কেনার ঋণ ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি ঋণের খরচ।

মার্কিন জাতীয় ঋণ কত: ৩২.২ নাকি ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার?

জার্নাল জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জনসাধারণের হাতে থাকা ঋণ ছিল ৩২.২ ট্রিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির তথ্য দিয়ে হিসাব করলে অনুপাত দাঁড়ায় ১০০.০৩ শতাংশ, অর্থাৎ সীমার সামান্য ওপরে।

অধিকাংশ সংবাদ শিরোনামে অবশ্য মোট ফেডারেল ঋণের কথা বলা হয়, যা সম্প্রতি ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এই মোট হিসাবে সরকারের এক অংশের কাছে আরেক অংশের দেনাও ধরা হয়, যেমন সোশ্যাল সিকিউরিটি ট্রাস্ট ফান্ডে রাখা ট্রেজারি সিকিউরিটিজ।

জার্নালের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থনীতিবিদেরা জনসাধারণের হাতে থাকা ঋণের হিসাবকেই বেশি গুরুত্ব দেন, কারণ এতে ধারের প্রকৃত বোঝা ভালোভাবে ধরা পড়ে। এটি বাইরের ঋণদাতাদের কাছে দেনা, আর ধারের দাম, অর্থাৎ সুদের হার, তাঁরাই নির্ধারণ করেন।

আমেরিকার ঋণ জিডিপির ১০০ শতাংশে পৌঁছাল যেভাবে

জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরের শেষে অনুপাতটি ছিল ৯৯.৪ শতাংশ। কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) ফেব্রুয়ারিতে ১০০.৬ শতাংশের পূর্বাভাস দিয়েছিল, প্রকৃত ফল এসেছে তার চেয়ে কম। সর্বোচ্চ রেকর্ডটি ১০৬ শতাংশের, যা ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের খরচ মেটাতে নেওয়া ঋণের কারণে হয়েছিল।

২০০০ সালে অনুপাতটি ছিল ৩৩.৭ শতাংশ, এবং তখন তা কমছিল। শক্তিশালী অর্থনীতি, ব্যয়ে সংযম এবং ডট-কম জোয়ারের সময়ের মূলধনী মুনাফা কর থেকে আসা রাজস্বের কারণে সরকারের বাজেট তখন উদ্বৃত্তে ছিল।

এরপর কংগ্রেস একাধিকবার কর কমায় এবং ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা, ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের আর্থিক সংকট ও কোভিড-১৯ মহামারির সময় ব্যয় বাড়ায়। একই সময়ে বয়স্ক জনগোষ্ঠী বাড়তে থাকায় সোশ্যাল সিকিউরিটি ও মেডিকেয়ারের খরচ বেড়েছে। জার্নাল এই ঋণকে দুই দলের আমলেই কয়েক দশকের কর হ্রাস, জরুরি ব্যয় ও বয়স্ক জনসংখ্যার ফল হিসেবে দেখিয়েছে।

জার্নালের হিসাবে, ২০২৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ৬.২ শতাংশ। যুদ্ধ, মন্দা বা জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া এত বড় ঘাটতি সাধারণত দেখা যায় না।

মার্কিন ট্রেজারি বন্ড সুদের হার ৫ শতাংশের ওপরে, চাপ বাড়ির ঋণে

২৮ অক্টোবর ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড ছিল ৫.০৫ শতাংশ, আর ৩০ বছর মেয়াদির ৫.৩৭ শতাংশ। এই ইল্ড থেকেই নির্ধারিত হয় পরিবারগুলো মর্টগেজ ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি ঋণে কত সুদ দেবে।

সিবিওর পূর্বাভাস, আগামী এক দশকে সরকারের নিট সুদ ব্যয় জিডিপির ১ শতাংশের বেশি বাড়বে। তবে এই পূর্বাভাস করা হয়েছিল বর্তমানের চেয়ে অনেক কম সুদের হার ধরে। জার্নালের হিসাবে, সুদের হার সিবিওর পূর্বাভাসের চেয়ে মাত্র ০.১ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি থাকলেই এক দশকে বাড়তি ৩৭৯ বিলিয়ন ডলার সুদ গুনতে হবে।

সোশ্যাল সিকিউরিটির ট্রাস্টিদের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, অবসর ভাতার ট্রাস্ট ফান্ড ২০৩২ সালে ফুরিয়ে যাবে। কংগ্রেস ব্যবস্থা না নিলে এর পর নির্ধারিত ভাতার মাত্র ৭৮ শতাংশ দেওয়া সম্ভব হবে।

সিবিও পরিচালক ফিলিপ সোয়াগেল এ মাসে এক অনুষ্ঠানে বলেন, "আমার মনে হয়, রাজস্ব পরিস্থিতির কঠিন গতিপথ নিয়ে একটা উপলব্ধি আছে। সমস্যা হলো, যুক্তরাষ্ট্র একটি বিভক্ত দেশ, বিভক্ত সমাজ, আর আমরা রাজনৈতিকভাবেও বিভক্ত।" তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

চূড়ান্ত অনুপাত এখনো বদলাতে পারে

অর্থবছরভিত্তিক হিসাবই আনুষ্ঠানিক মাপকাঠি, তবে যুক্তরাষ্ট্র এর আগেও একবার এই সীমা পেরিয়েছিল। জার্নাল জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুতে বছরের মাঝামাঝি সময়ের এক হিসাবে অনুপাত ১০০ শতাংশ ছুঁয়েছিল। ফরচুনের বরাতে কমিটি ফর আ রেসপনসিবল ফেডারেল বাজেট জানায়, মার্চের শেষে পূর্ববর্তী সময়ভিত্তিক (ট্রেইলিং) অনুপাত ছিল ১০০.২ শতাংশ। এটি আনুষ্ঠানিক হিসাব থেকে আলাদা পদ্ধতিতে করা।

জার্নাল আরও উল্লেখ করেছে, তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি সংশোধন হলে কিংবা ট্রেজারির ঋণ ইস্যুর পদ্ধতিতে পরিবর্তন এলে চূড়ান্ত অনুপাত বদলে যেতে পারে। অনুপাত ১০০.০৩ শতাংশে থাকায় সামান্য সংশোধনেই তা আবার ১০০-এর নিচে নেমে আসতে পারে।

প্রতিবেদনে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।



ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।