আর্কাইভ ভিডিও ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ
● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: ৯৯ রানে অপরাজিত সাদমান, প্রথম দিনে ২১৩/৩ ● মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬: জাতীয় জরিপে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, সিনেটে কঠিন লড়াই ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: মিরপুরে দুই ম্যাচই জেতার লক্ষ্য রোস্টন চেজের ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: ৯৯ রানে অপরাজিত সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশ ২১৩/৩ ● ইসরায়েল নির্বাচন ফলাফল: নেতানিয়াহু এগিয়ে, কিন্তু ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারও ● ব্যালন ডি'অর ২০২৬ বিজয়ী হ্যারি কেইন, ৩০ বছর পর বুন্দেসলিগার খেলোয়াড়ের হাতে সেরার পুরস্কার ● ফেডের সুদের হার আজ ৩.৭৫-৪ শতাংশেই বহাল, বৃদ্ধির পক্ষে ভোট দিলেন দুই সদস্য ● ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আজ অপরিবর্তিত রাখার আভাস, ডিসেম্বরে বাড়ানোর প্রত্যাশা ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: ৯৯ রানে অপরাজিত সাদমান, প্রথম দিনে ২১৩/৩ ● মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬: জাতীয় জরিপে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, সিনেটে কঠিন লড়াই ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: মিরপুরে দুই ম্যাচই জেতার লক্ষ্য রোস্টন চেজের ● বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট: ৯৯ রানে অপরাজিত সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশ ২১৩/৩ ● ইসরায়েল নির্বাচন ফলাফল: নেতানিয়াহু এগিয়ে, কিন্তু ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারও ● ব্যালন ডি'অর ২০২৬ বিজয়ী হ্যারি কেইন, ৩০ বছর পর বুন্দেসলিগার খেলোয়াড়ের হাতে সেরার পুরস্কার ● ফেডের সুদের হার আজ ৩.৭৫-৪ শতাংশেই বহাল, বৃদ্ধির পক্ষে ভোট দিলেন দুই সদস্য ● ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আজ অপরিবর্তিত রাখার আভাস, ডিসেম্বরে বাড়ানোর প্রত্যাশা
রাজনীতি

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬: জাতীয় জরিপে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, সিনেটে কঠিন লড়াই

3 • 1 min read fb x
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কংগ্রেস ভবন, পাশে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দলের জরিপের তুলনা
প্রতীকী ছবি। ছবি: Sora Shimazaki/Pexels

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬-এর ভোট ৩ নভেম্বর। এর পাঁচ দিন আগে জাতীয় জরিপের গড়ে রিপাবলিকানদের চেয়ে ৮.২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে আছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। তবে আল জাজিরা জানিয়েছে, সিনেটের কয়েকটি আসনে লড়াই এখনো হাড্ডাহাড্ডি।

কংগ্রেসের দুই কক্ষেই এখন রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। ডেমোক্র্যাটরা দুটিই উল্টে দিতে চায়। প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউসে জয় তাদের নাগালে মনে হলেও সিনেট তুলনামূলক কঠিন চ্যালেঞ্জ। এই ফলাফলেই ঠিক হবে, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতায় কতটা লাগাম টানতে পারবে।

দুই দলই শেষ মুহূর্তের প্রচারে নেমেছে। বুধবার ওহাইও, জর্জিয়া ও নর্থ ক্যারোলাইনায় প্রচার চালান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

মধ্যবর্তী নির্বাচন জরিপ: জাতীয় গড়ে কে এগিয়ে

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরিপ সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান রিয়েলক্লিয়ারপোলিংয়ের জাতীয় গড়ে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৫১.৪ শতাংশ। রিপাবলিকানদের সমর্থন ৪৩.২ শতাংশ। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই জাতীয় ব্যবধান প্রতিটি সিনেট আসনে প্রতিফলিত হচ্ছে না।

ডেমোক্র্যাটিক কৌশলবিদ জোয়েল রুবিন এবারের নির্বাচনকে সম্ভাব্য একটি "প্রতিবাদের নির্বাচন" বলে বর্ণনা করেছেন। "আমার মনে হয়, যে মার্কিন ভোটাররা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেবেন, তাঁদের বিপুল অংশ ভোট দিচ্ছেন কারণ তাঁরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চান," বলেন তিনি।

রিপাবলিকান কৌশলবিদ সুহাইল খান বলেছেন, ট্রাম্প তাঁর নিজের ভোটারদের একাংশের সমর্থন হারাচ্ছেন। তাঁর ভাষ্যে, জ্বালানির দাম, বাড়িভাড়া ও বন্ধকি ঋণের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই ভোটাররা হতাশ।

কেনটাকি ও পেনসিলভানিয়ার কিছু ভোটার আল জাজিরাকে বলেছেন, তাঁরা দুই দলের ওপরই বিরক্ত। কেনটাকির লেক্সিংটনের এক ভোটার বলেন, "প্রতিটি দলই ক্ষমতায় থাকতে চায়। আমার মনে হয়, তাদের ভোটাররা যা শুনতে চায় বলে তারা মনে করে, তা-ই তারা বলে।"

টেক্সাস ও মিশিগানে সিনেটের লড়াই কতটা কাছাকাছি

টেক্সাসে ১৯৮৮ সালের পর কোনো সিনেট নির্বাচনে জেতেনি ডেমোক্র্যাটরা। রিয়েলক্লিয়ারপোলিংয়ের হিসাবে সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর সমর্থন ৪৮.৫ শতাংশ। রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের সমর্থন ৪৬.৭ শতাংশ।

মিশিগানে রিপাবলিকান মাইক রজার্সের বিপক্ষে ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সাইদের ব্যবধান বেড়েছে। সিবিএস ডেট্রয়েটের জন্য মিচেল রিসার্চ ২৬-২৭ অক্টোবর একটি জরিপ চালায়। তাতে এল-সাইদের সমর্থন ৫১ শতাংশ, রজার্সের ৪৪ শতাংশ। এ মাসের শুরুতে এই ব্যবধান ছিল ৪.২ পয়েন্ট।

তবে রিয়েলক্লিয়ারপোলিংয়ের হিসাবে মিশিগানে লড়াই আরও কাছাকাছি। সেখানে এল-সাইদ ৪৮ শতাংশ ও রজার্স ৪৬ শতাংশ। অর্থাৎ দুই হিসাবের ফল এক নয়।

এল-সাইদের পক্ষে প্রচার চালাতে ফ্লোরিডা থেকে গেছেন ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান ম্যাক্সওয়েল ফ্রস্ট। তিনি বলেন, "সবাই নেতিবাচক, গোঁড়ামিপূর্ণ ও ইসলামবিদ্বেষী বিজ্ঞাপন দেখেছে। কিন্তু আবদুল কেন মিশিগানের জন্য সঠিক সিনেটর, তা নিয়ে সবার সঙ্গে সরাসরি কথা হয়নি।"

মিশিগানে তরুণ ভোটারদের কাছে টানছে দুই দলই। রিপাবলিকানদের হাত থেকে মিশিগানের সপ্তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট জিততে চান ডেমোক্র্যাট প্রার্থী উইল লরেন্স। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, "আমাদের সবাইকে দরকার। তরুণেরা এই জোটের বড় অংশ এবং ৩ নভেম্বর তারাই ফল নির্ধারণ করে দিতে পারে।" অন্যদিকে এক রিপাবলিকান সমর্থক দাবি করেছেন, জেন-জির মধ্যে একটি প্রবণতা "আরও রক্ষণশীল হয়ে উঠছে"।

হাউস ও সিনেট জিততে ডেমোক্র্যাটদের কত আসন লাগবে

আল জাজিরার হিসাবে ডেমোক্র্যাটদের প্রয়োজন:

  • প্রতিনিধি পরিষদে নিট ৩টি আসন বাড়ানো
  • সিনেটে নিট ৪টি আসন বাড়ানো
  • সিনেটে নিয়ন্ত্রণের জন্য ১০০ আসনের মধ্যে ৫১টি

বর্তমানে সিনেটে রিপাবলিকানদের আসন ৫৩টি। ডেমোক্র্যাটদের আসন ৪৭টি, যার মধ্যে তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ দুজন স্বতন্ত্র সিনেটরও আছেন।

আল জাজিরার সংবাদদাতা স্কট ম্যাকলিন বলেন, "সবচেয়ে আশাবাদী রিপাবলিকানও আপনাকে বলবেন, প্রতিনিধি পরিষদ ধরে রাখা জিওপির জন্য বেশ কঠিন হবে। তবে মার্কিন সিনেটের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন।"

ম্যাকলিনের হিসাবে, ডেমোক্র্যাটরা নর্থ ক্যারোলাইনা ও ওহাইও জিতলে এবং বর্তমান আসনগুলো ধরে রাখলেও ৫১ আসনের চেয়ে দুটি কম থাকবে। আলাস্কা ও টেক্সাস সেই ঘাটতি পূরণে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা কাছাকাছি লড়াইয়ের মিশিগান জয়ের আশা করছে।

হাউস জিতলে ট্রাম্পের ওপর কী নিয়ন্ত্রণ পাবে ডেমোক্র্যাটরা

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেলেও ট্রাম্পের জন্য তার উল্লেখযোগ্য প্রভাব থাকবে। ডেমোক্র্যাটরা তখন ট্রাম্পের আইন প্রণয়ন এজেন্ডার কিছু অংশ আটকে দিতে পারবে। তারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু করতে পারবে।

কংগ্রেসের কমিটিতে সাক্ষ্য দিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তলবও করতে পারবে তারা। তবে হোয়াইট হাউস এসব তলবকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা হাউস জিতলে হোয়াইট হাউস সত্যিই সেই পথে যাবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।



ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।