ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভোলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ

49 1 min read fb x
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভোলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভোলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক ও ভোলা প্রতিনিধি: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজ জন্মভূমি ভোলার মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ। সাবেক এই শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে অবসান ঘটলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের।

সোমবার (১ জুন, ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রবীণ এই নেতা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

শেষ বিদায়ের মুহূর্ত ও জানাজা

রাজধানী ঢাকায় প্রথম জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর আজ মঙ্গলবার (২ জুন) তোফায়েল আহমেদের মরদেহ হেলিকপ্টারযোগে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ও জন্মভূমি ভোলায় নিয়ে যাওয়া হয়।

  • গার্ড অব অনার: ভোলার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে 'গার্ড অব অনার' প্রদান করা হয়।

  • সর্বস্তরের মানুষের ঢল: তাঁর মৃত্যুর খবরে ভোলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে এবং জানাজায় অংশ নিতে স্থানীয় ঈদগাহ ও মসজিদ প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের লাখো মানুষের ঢল নামে।

  • দাফন: জানাজা শেষে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

বর্ণাঢ্য এক রাজনৈতিক জীবন

তোফায়েল আহমেদের হাত ধরেই বাংলাদেশের ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ বাঁক তৈরি হয়েছিল। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্ম নেওয়া এই নেতা ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন।

ঐতিহাসিক অবদান: ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান নেতা হিসেবে তিনি তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে 'মুজিব বাহিনী'র অন্যতম প্রধান সংগঠক ও আঞ্চলিক অধিনায়ক হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি ৮ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন মেয়াদে অত্যন্ত সফলতার সাথে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন。 তাঁর এই মহাপ্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

সম্পর্কিত সংবাদ

Advertisement

Advertisement


ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।