ব্রেকিং নিউজ
জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পের সুফল জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দিতে হবে– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম হাটহাজারীতে ঈদ সহায়তা, জেলেদের সহায়তা ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দীন বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা: কেন বাড়ছে আতঙ্ক, নাকি আগে থেকেই ছিল? মিরপুর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস ঢাকার তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবায় আগ্রহ প্রকাশ আমিরাতের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর কর ও মূল্যবৃদ্ধির দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা পার্বত্য কৃষকদের পণ্যের মূল্যে পরিবহন ব্যয় যুক্ত করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পের সুফল জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দিতে হবে– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম হাটহাজারীতে ঈদ সহায়তা, জেলেদের সহায়তা ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দীন বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা: কেন বাড়ছে আতঙ্ক, নাকি আগে থেকেই ছিল? মিরপুর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস ঢাকার তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবায় আগ্রহ প্রকাশ আমিরাতের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর কর ও মূল্যবৃদ্ধির দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা পার্বত্য কৃষকদের পণ্যের মূল্যে পরিবহন ব্যয় যুক্ত করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের
বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিবেদন: বঙ্গোপসাগরে নতুন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা আলোচনা ঘিরে ভারত, চীন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

বিশেষ প্রতিবেদন: বঙ্গোপসাগরে নতুন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা আলোচনা ঘিরে ভারত, চীন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক
বিশেষ প্রতিবেদন: বঙ্গোপসাগরে নতুন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা আলোচনা ঘিরে ভারত, চীন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন ও আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও ঢাকা অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট (ACSA) এবং জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (GSOMIA) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বলে দাবি উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চূড়ান্ত চুক্তির ঘোষণা দেয়নি Bangladesh বা United States।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এ ধরনের চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, তবে মার্কিন সামরিক জাহাজ ও বিমান বাংলাদেশের বন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা নিতে পারবে। সম্ভাব্যভাবে Port of Chittagong এবং Matarbari Port এর মতো কৌশলগত স্থাপনাগুলোর গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।

এই সম্ভাব্য সহযোগিতা বঙ্গোপসাগরকে নতুন এক কৌশলগত প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে বলে মনে করছেন আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে ভারত এই অঞ্চলে শক্তিশালী প্রভাব বজায় রেখে আসলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সরাসরি সামরিক প্রবেশাধিকার সেই ভারসাম্যে পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে GSOMIA চুক্তি নিয়ে ভারতের নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগের কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। কারণ এ ধরনের চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বঙ্গোপসাগরে নজরদারি সক্ষমতা সম্প্রসারিত হতে পারে।

ভারতের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে INS Varsha এবং ওড়িশা উপকূলের Dr. APJ Abdul Kalam Island উল্লেখযোগ্য। কৌশলগত বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বঙ্গোপসাগরে আন্তর্জাতিক সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে এ অঞ্চলে নজরদারি ও প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হতে পারে।

অন্যদিকে, China দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বাংলাদেশের সামরিক সরঞ্জামের একটি বড় অংশ চীন থেকে আসে এবং বন্দর উন্নয়নেও বেইজিংয়ের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য। ফলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা চীনের কৌশলগত স্বার্থেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বঙ্গোপসাগর বর্তমানে শুধু আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক শক্তির প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং India—তিন পক্ষই এই অঞ্চলে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করতে আগ্রহী।

এদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বাড়ছে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, বিদেশি সামরিক প্রবেশাধিকার দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে সমর্থকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina অতীতে বঙ্গোপসাগরে বিদেশি প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিশেষ করে Saint Martin’s Island ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ নিয়ে তার বক্তব্য একসময় রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র অতীতে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছিল।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতও এক জটিল কৌশলগত বাস্তবতার মুখোমুখি হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত। একদিকে চীনকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে Quadrilateral Security Dialogue বা “কোয়াড” জোটে ভারতের অংশগ্রহণ রয়েছে, অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বাড়তি সামরিক উপস্থিতি নয়াদিল্লির জন্য নতুন নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এখন পর্যন্ত আলোচিত অনেক তথ্যই বিভিন্ন বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন ও কৌশলগত মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। বাংলাদেশ বা যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ী মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের কোনো ঘোষণা দেয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সরকারি অবস্থান ও আনুষ্ঠানিক নথির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সম্পর্কিত সংবাদ

Advertisement

Advertisement


ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।