আর্কাইভ ভিডিও ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ
● ফ্লরিডা স্টেট বনাম লুইসভিল: মন্ডে নাইট এসিসি ফুটবলে উভয় দলের বাউল আশা জिंदा রাখার লড়াই ● বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস’ ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ উদযাপন এবং সাইন্টিফিক আলোচনা অনুষ্ঠিত ● পূর্ব 'আমেরিকান আইডল' প্রতিযোগী কেলেব ফ্লিন স্ত্রীর হত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি ● জেমস র্যানসোনকে এমmys 'ইন মেমোরিয়াম'-এ বাদ দিয়েছে, স্ত্রীর আক্ষেপ ● ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুরক্ষা ভয়কে 'হোক্স' বলে আখ্যায়িত করলেন, নিয়ন্ত্রণ দাবি প্রত্যাখ্যান ● উইনি হার্লোর সাবেক লস অ্যাঞ্জেলেস বাড়ি ৪.৫ মিলিয়ন ডলারে পুনরায় বাজারে ● ইউরোপীয় কমিশনের প্রস্তাবে কানাডা হতে পারে ইইউর প্রথম 'অ্যাসোসিয়েট সদস্য' ● ভারতের শীর্ষ-ভিত্তিক অর্থনৈতিক বাড়তি এবং বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা ● ফ্লরিডা স্টেট বনাম লুইসভিল: মন্ডে নাইট এসিসি ফুটবলে উভয় দলের বাউল আশা জिंदा রাখার লড়াই ● বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস’ ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ উদযাপন এবং সাইন্টিফিক আলোচনা অনুষ্ঠিত ● পূর্ব 'আমেরিকান আইডল' প্রতিযোগী কেলেব ফ্লিন স্ত্রীর হত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি ● জেমস র্যানসোনকে এমmys 'ইন মেমোরিয়াম'-এ বাদ দিয়েছে, স্ত্রীর আক্ষেপ ● ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুরক্ষা ভয়কে 'হোক্স' বলে আখ্যায়িত করলেন, নিয়ন্ত্রণ দাবি প্রত্যাখ্যান ● উইনি হার্লোর সাবেক লস অ্যাঞ্জেলেস বাড়ি ৪.৫ মিলিয়ন ডলারে পুনরায় বাজারে ● ইউরোপীয় কমিশনের প্রস্তাবে কানাডা হতে পারে ইইউর প্রথম 'অ্যাসোসিয়েট সদস্য' ● ভারতের শীর্ষ-ভিত্তিক অর্থনৈতিক বাড়তি এবং বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা
নিউ জার্সি / নিউ ইয়র্ক

প্রো-প্যালেস্টাইন পাঠে ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগে নিউইয়র্ক সিটির স্কুলগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের তদন্ত

99 • 1 min read fb x
প্রো-প্যালেস্টাইন পাঠে ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগে নিউইয়র্ক সিটির স্কুলগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের তদন্ত
প্রো-প্যালেস্টাইন পাঠে ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগে নিউইয়র্ক সিটির স্কুলগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের তদন্ত

ওয়াশিংটন, ডিসি: প্রো-প্যালেস্টাইন শিক্ষাদানের মধ্যে ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলগুলোতে তদন্ত শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন, এমনটাই জানানো হয়েছে এক সরকারি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।

ফেডারেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে শ্রেণিকক্ষের পাঠ্যসামগ্রী, শিক্ষকদের আচরণ এবং স্কুল-সমর্থিত কার্যক্রমের মাধ্যমে কোনোভাবে ইহুদি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাত বা বৈষম্য ছড়ানো হয়েছে কি না। কিছু অভিভাবক ও অধিকারকর্মী সংগঠনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তদন্তের পরিধি ও প্রক্রিয়া

এক বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, ফেডারেল অর্থায়নপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈষম্যবিরোধী আইন মেনে চলা এবং সকল শিক্ষার্থীর জন্য নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। "ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি এবং শিক্ষার্থীদের নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের কোনো ইঙ্গিত থাকলে তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করা হবে," বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

শিক্ষা দপ্তর পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা এবং স্কুলের নীতিমালা যাচাইয়ের মাধ্যমে তদন্ত চালাবে বলে জানা গেছে। কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা বা অর্থায়ন সংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

নিউইয়র্ক সিটির শিক্ষা কর্তৃপক্ষ তদন্তের বিষয়টি স্বীকার করেছে এবং পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সম্মানজনক আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

প্রেক্ষাপট: নাগরিক অধিকার আইন ও ফেডারেল অর্থায়ন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল অর্থায়নপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নাগরিক অধিকার আইনের অধীনে বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে হয়। এই আইনের আওতায় জাতি, ধর্ম বা জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো শিক্ষার্থীর প্রতি বৈষম্য নিষিদ্ধ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, শিক্ষাঙ্গনে পাঠ্যক্রম বা শিক্ষাদান পদ্ধতির মাধ্যমে যদি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাত ছড়ানোর প্রমাণ মেলে, তবে তা এই আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুল ব্যবস্থা দেশের অন্যতম বৃহৎ, যেখানে বহু জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। ফেডারেল অর্থায়ন স্কুল পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস, এবং আইন লঙ্ঘন প্রমাণিত হলে সেই অর্থায়ন স্থগিত বা বাতিলের মতো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।

একাডেমিক স্বাধীনতা বনাম বৈষম্যবিরোধী নীতি

এই ঘটনাকে ঘিরে শিক্ষাবিদ ও নাগরিক অধিকার কর্মীদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ কেউ একে একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে শিক্ষাঙ্গনে যেকোনো ধরনের ঘৃণা বা বৈষম্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন।

বিতর্কের একপক্ষ মনে করেন, শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে যথেচ্ছ হস্তক্ষেপ একাডেমিক স্বাধীনতার পরিসর সংকুচিত করতে পারে। অন



ধন্যবাদ!

আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর পাঠানো হবে।

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইমেইলে পান।

যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।